Home
About Us
Contact Us
♦
আজ ১৫ই ফাল্গুন/২৭শে ফেব্রুয়ারি শনিবার। সকাল ১১:০০টায় অমর একুশে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে আয়োজিত অনুষ্ঠানে 'বাংলা সাহিত্যের অনুবাদ : চীনা ভাষায়' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চীন আন্তর্জাতিক বেতার (সিআরআই)-এর কর্মকর্তা ও সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুম, ঢাকা-এর পরিচালক ইয়াং ওয়েইমিং (স্বর্ণা)। আলোচনায় অংশ নেন সহকারী অধ্যাপক মোঃ আফজাল হোসেন, বাংলাদেশস্থ চীনা দূতাবাসের কালচারাল অ্যাটাশে ছাও ইয়েনহুয়া এবং সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুম, ঢাকা-এর কনসালটেন্ট মহিউদ্দিন তাহের। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আহমদ কবির।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলা ভাষা বাংলাদেশের বাইরে সবচেয়ে বেশি চর্চা হয় চীনে। বাংলা সাহিত্যের সঙ্গে চীনের পাঠকদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বিশ শতকের গোড়ার দিকে এশিয়ার প্রথম নোবেল বিজয়ী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনন্য লেখার ইংরেজি অনুবাদের মাধ্যমে।সকাল ১১:৩০টায় একাডেমীর সেমিনার কক্ষে 'অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও প্রাসঙ্গিক বিষয়' শীর্ষক মত বিনিময় সভায় বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, সচিব মোঃ আলতাফ হোসেন, গ্রন্থমেলা ২০১০-এর পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও একাডেমীর পরিচালক শাহিদাখাতুনসহ একাডেমীর উধর্্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শিমুল মোস্তফা। সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, ফাতেমা-তুজ-জোহরা, অদিতি মহসিন, বিশ্বজিৎ রায়, চঞ্চল খান, সুমন মজুমদার, সুমিতা চক্রবতর্ী এবং নার্গিস রহমান। যন্ত্রাণুসঙ্গে ছিলেন শিল্পী ইফতেখার আলম প্রধান, আলমাস আলী, মোঃ মনিরুজ্জামান, অনুপম বিশ্বাস এবং এস. এম. রফিকুল আজাদ। আজকের নতুন বই : ১৩২টি \\ এবারের গ্রন্থমেলায় সর্বমোট নতুন বই : ৩,২৬০টি******সকাল ১০:৩০টায় অমর একুশে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে শিশু-কিশোর আবৃত্তি, চিত্রাংকন ও সংগীত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন বাংলা একাডেমীর সচিব মোঃ আলতাফ হোসেন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অধ্যাপক আবদুল খালেক, বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী লায়লা হাসান, এবং শিশুসাহিত্যিক অধ্যাপক হালিমা খাতুন। আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় ৩ শাখায় মোট ৯জন, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় ৩ শাখায় মোট ৯জন এবং সংগীত প্রতিযোগিতায় ২শাখায় মোট ৬জনকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীদেরকে সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদ ও বাংলা একাডেমী প্রকাশনা প্রদান করা হয়। প্রাবন্ধিক কবি কাজী মনজুরে মওলা বলেন, বাংলা একাডেমী সরকারের আর পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মতো নয়, শহীদ মিনারের মতো এটিও ভাষা আন্দোলনের প্রতীক।অধ্যাপক রেহনুমা আহমেদ বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে বাংলা একাডেমী ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসরে ভূমিকা রাখতে পারেনি। যা চর্চা হয়েছে তা অনেকটাই রাজনৈতিক পরিসরে।ড. শরীফ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলা ভাষার গবেষণা ও চর্চা করাই বাংলা একাডেমীর প্রধান কাজ হলেও একাডেমী এ দায়িত্ব থেকে অনেক খানি পিছিয়ে পড়েছে।সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করে আবৃত্তি সংগঠন 'রৌদ্র করোটি', কাব্যগীতি আলেখ্য পরিবেশন করে 'শিশু-যুব সাংস্কৃতিক জোট' আবৃত্তি ও দেশের গান পরিবেশন করে 'বঙ্গবন্ধু রিসার্চ সেন্টার' এবং বাউল সংগীত পরিবেশন করে 'ভাটিবাংলা বাউল একাডেমী ও গবেষণা কেন্দ্র'। আজকের নতুন বই : ১৮০টি \\ এবারের গ্রন্থমেলায় সর্বমোট নতুন বই : ৩,১২৮টি ******মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে 'বাংলাদেশের ভাষা পরিস্থিতি' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. জীনাত ইমতিয়াজ আলী। আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী অধ্যাপক মহাম্মদ দানীউল হক, অধ্যাপক ড. খোন্দকার আশরাফ হোসেন, অধ্যাপক ড. সৌরভ সিকদার এবং সহযোগী অধ্যাপক গুলশান আরা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান। প্রাবন্ধিক ড. জীনাত ইমতিয়াজ আলী বলেন, বাংলাভাষার ঐতিহ্য সুদীর্ঘকালের। তার লিখিত ইতিহাসও শতাব্দী প্রাচীন। সংখ্যাবিচারে এ দেশের শতকরা ৯৮জন মানুষ বাংলা ভাষা ব্যবহার করে। এ ভাষা অবশ্যই সংখ্যাগুরু ভাষা এবং তা আমাদের দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির ধারক। তিনি বলেন, এদেশীয় ভূ-গাঠনিক, সাংস্কৃতিক ও ঔপভাষিক বৈচিত্র্য অনুযায়ী বাংলা ভাষার প্রমিত রূপটি পরিকল্পনার মাধ্যমে নির্দেশিত বা গৃহীত হয়নি বলেই কথিত প্রমিত রূপটিতে নানা ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায়। অধ্যাপক গুলশান আরা বলেন, প্রজাতন্ত্রের ভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে সর্বস্তরে বাংলার প্রচলন হয়নি। এর কারণ হলো ভাষা রীতি, ত্রুটিপূর্ণ পাঠদান পদ্ধতি, দোভাষা পদ্ধতির প্রচলন। সভাপতির ভাষণে ড. মনিরুজ্জামান বলেন, আমাদের বাংলা ভাষার মধ্যে একটি বড় অংশ হচ্ছে লৌকিকতা যা আমাদের ভাষার ভিত্তিকে আরও সমৃদ্ধশালী করেছে। তিনি বলেন, আমরা পরাধীনতার মাঝে মাতৃভাষাকে ভালোবেসেছিলাম। সংগ্রাম করে রক্তের বিনিময়ে মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠা করেছিলাম।সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পুথিপাঠ করেন হেলিম বয়াতি। বাউল সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী কুদ্দুস বয়াতি, কাঙালিনী সুফিয়া, সাঈদুর রহমান বয়াতি, বিমল বাউল, ইদ্রিস আলী বয়াতি, আব্দুল আউয়াল, আবদুল লতিফ শাহ, আরজ আলী বয়াতি, বাউল মিলন, আলম দেওয়ান, হাসি সরকার এবং রনজিৎ দাস বাউল। যন্ত্রাণুসঙ্গে ছিলেন শিল্পী রবীন্দ্রনাথ পাল, দশরথ দাস, হাসান আলী, আশুতোষ শীল এবং নাজমুল আলম খান। আজকের নতুন বই : ৬৯টি \\ এবারের গ্রন্থমেলায় সর্বমোট নতুন বই : ২৯৪৮টি ******মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে আজ 'বাংলাদেশের প্রকাশনা : তথ্য-উপাত্ত এবং গুণগত মান বিবেচনা' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট গবেষক, লেখক বদিউদ্দিন নাজির। আলোচনায় অংশ নেন কবি ও গবেষক বিমল গুহ, গবেষক ও প্রাবন্ধিক ম. মনিরউজ্জামান এবং কবি ও প্রাবন্ধিক ইকবাল আজিজ। প্রাবন্ধিক বদিউদ্দিন নাজির বলেন, মানব জাতির ক্রমবিকাশে পুস্তক ও পুস্তিকার প্রকাশনা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রয়েছে। যে কোন জাতির উন্নয়ন সূচকসমূহের মধ্যে পুস্তক ও পুস্তিকার প্রকাশনাও একটি অন্যতম সূচক। ব্রিটিশ আমলে পরাধীন জাতি হিসেবে আমরা প্রকাশনা সংক্রান্ত যে সব তথ্যসেবা ভোগ করেছি, স্বাধীন বাংলাদেশে তা থেকে আমরা পুরোপুরিভাবে বঞ্চিত রয়েছি।কবি ইকবাল আজিজ বলেন, স্বাধীনতার অনেক দিন অতিবাহিত হলেও এখনো কোন বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি প্রকাশনার ক্ষেত্রে। যার কারণে বই সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায় না। সভাপতির ভাষণে মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, জাতির সামগ্রিক উন্নয়নের সাথে প্রকাশনা শিল্প গভীরভাবে সম্পর্কিত। জাতীয় মেধা ও মনন বিকাশে যে কোনো দেশেই সৃজনশীল পুস্তক প্রধান ভূমিকা পালন করে। তাই প্রকাশনা শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত সকলকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের মাধ্যমে আমাদের প্রকাশনা শিল্পকে আরও গতিশীল ও সৃজনমনস্ক করে গড়ে তুলতে হবে। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে 'কীর্তন' সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী লীনা তাপসী, মঙ্গলচন্দ্র মণ্ডল, দিপ্তী রাজবংশী, সরদার আশরাফউদ্দিন বাবুল, শান্তা সরকার এবং গোলাম মোস্তফা খানের পরিচালনায় সাংস্কৃতিক সংগঠন 'বেণুকা ললিতকলা কেন্দ্র'। যন্ত্রাণুসঙ্গে ছিলেন শিল্পী প্রিয়ব্রত চৌধুরী, এনামুল হক ওমর, হোসেন আলী, মোহাম্মদ আলমগীর এবং ইফতেখার হোসেন সোহেল। আজকের নতুন বই : ৯২টি \\ এবারের গ্রন্থমেলায় সর্বমোট নতুন বই : ২৮৭৯টি ******মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে আজ 'ভাষা-আন্দোলনে পত্র-পত্রিকার ভূমিকা' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. ইসরাইল খান। আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট সাংবাদিক আবেদ খান এবং গবেষক ড. তপন বাগচী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আতফুল হাই শিবলী।ড. তপন বাগচী বলেন, ভাষা-আন্দোলনে পত্রপত্রিকার ভূমিকা নির্ধারণ একটি কঠিন কাজ। কারণ এগুলো যেমন বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে আছে তেমনি এগুলোর যথাযথ সংরক্ষণ ও তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করাও দুরূহ। তবে পত্রপত্রিকার ভূমিকা ছিল মুলত অসামপ্রদায়িক। জনাব আবেদ খান বলেন, আমাদের রাজনৈতিক, গণতান্ত্রিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সময় পত্রপত্রিকা অসামান্য অবদান রেখেছে। পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত সম্পাদক, সাংবাদিকেরা অসাধারণ লেখনীর মাধ্যমে ভাষা-আন্দোলনকে প্রগতিশীলদের আন্দোলনে পরিণত করেছেন। সভাপতির ভাষণে অধ্যাপক আতফুল হাই শিবলী বলেন, ভাষা-আন্দোলনের সময় মালিকানা পরিবর্তনের কারণে এক এক পত্রিকা এক এক রকম ভূমিকা পালন করেছে। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গীতিনাটক 'চিত্রাঙ্গদা' পরিবেশন করে বুলবুল ললিতকলা একাডেমী এবং দুনর্ীতিবিরোধী গণনাটিকা পরিবেশন করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। আজকের নতুন বই : ৭২টি \\ এবারের গ্রন্থমেলায় সর্বমোট নতুন বই : ২৭৮৭টি ******মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে আজ 'একুশের গান' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট সংগীত গবেষক বাবু রহমান। আলোচনায় অংশ নেন ড. মৃদুল কান্তি চক্রবতর্ী এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর পরিচালক মাহমুদ সেলিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গবেষক ও প্রাবন্ধিক আবদুশ শাকুর। প্রাবন্ধিক বাবু রহমান বলেন, বাংলা গানের ইতিহাসে 'ভাষার গান' বা 'একুশের গান' শিরোনাম আভিধানিক অর্থে মনে হয় একমাত্র বাংলাদেশেই স্থান করে নিয়েছে। কারন, একুশ আমাদের লড়তে শিখিয়েছে, প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছে। জনাব মাহমুদ সেলিম বলেন, আমাদের জাতিসত্তার মূলে একুশ। একুশের গানগুলি মূলত রচিত হয় ভাষা আন্দোলন ও তার পরবতর্ী সময়ে। আমাদের সংগীতভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করতে একুশের গানের অবদান অনেক। সভাপতির ভাষণে গবেষক আবদুশ শাকুর বলেন, বাংলার একুশের গানের ভাবের তুলনা করার মতো কোন ক্ষেত্র নেই। পরাধীনতার বোধ থেকেই আমাদের দেশাত্মবোধক, একুশের গান বা মুক্তির গানের উদ্ভব ঘটেছে।সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করে আবৃত্তি সংগঠন 'আবৃত্তিশীলন' নৃত্য পরিবেশন করে 'লিজা ললিত কলা একাডেমী' এবং আদিবাসীদের নৃত্য ও সংগীত পরিবেশন করে 'আদিকণ্ঠ'। আজকের নতুন বই : ৮৫টি \\ এবারের গ্রন্থমেলায় সর্বমোট নতুন বই : ২৭১৫টি ******একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের স্মরণে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। এ সময় একাডেমীর সচিব জনাব মোঃ আলতাফ হোসেন, গ্রন্থমেলা ২০১০ পরিচালনা কমিটির সদস্য-সচিব ও বাংলা একাডেমীর পরিচালক জনাব শাহিদা খাতুনসহ সকল পরিচালক-উপপরিচালক এবং সকল স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সকাল ৭:৩০টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় স্বরচিত কবিতা পাঠের আসর। এতে ১৯৭জন কবি কবিতা পাঠ করেন। আসরে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কবি আবুবকর সিদ্দিক। স্বাগত ভাষণে শামসুজ্জামান খান বলেন, ভাষা-আন্দোলন বাঙালি জাতীয় জীবনে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ভাষা-আন্দোলনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আজকের এই মহামিলন আমাদের জাতিসত্তার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গণসংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী আবদুল জব্বার, ফকির আলমগীর, পান্না বিশ্বাস, মহাদেব ঘোষ, বুলবুল মহলানবিশ, সালমা চৌধুরী, কফিল আহমেদ এবং 'জাগরণ' সংস্কৃতি চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র। যন্ত্রাণুসঙ্গে ছিলেন শিল্পী গৌতম মজুমদার, মোঃ ফারুক, গাজী আবদুল হাকিম, আবু কামাল এবং এস. এম. রফিকুল আজাদ খোকন। আজকের নতুন বই : ২০৬টি \\ এবারের গ্রন্থমেলায় সর্বমোট নতুন বই : ২৬৩০টি ******মেলা শুরু হয় সকাল ১১টায়, চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। সকাল ১০টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় শিশু-কিশোর সংগীত প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব। এ পর্বে দুইটি বিভাগে ২০জন প্রতিযোগী অংশ নেয়। প্রতিযোগিতার ফলাফল আগামী ২৬শে ফেব্রুয়ারি শুক্রবার ঘোষণা করা হবে। বিকেলে ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠানে 'বাঙালি জাতিসত্তা ও বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ভাষা-আন্দোলনের ভূমিকা' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক সনৎকুমার সাহা। আলোচনায় অংশ নেন অধ্যাপক রঙ্গলাল সেন, কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এবং অধ্যাপক এম. এম. আকাশ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর আনিসুজ্জামান। সভাপতির ভাষণে প্রফেসর আনিসুজ্জামান বলেন, আমাদের জাতিসত্তার পরিচয় ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে এবং তা স্বাধীনতার মাধ্যমে মিমাংসিত। কিন্তু এটা আজ আবার প্রশ্নবিদ্ধ। বাংলাদেশের সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের ভাষা হবে বাংলা।সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মামুনুর রশিদের পরিচালনায় 'এবং বিদ্যাসাগর' নাটক মঞ্চস্থ করে 'আরণ্যক নাট্যদল'।আজকের নতুন বই : ১৫২টি \\ এবারের গ্রন্থমেলায় সর্বমোট নতুন বই : ২৪২৪টি ****** মেলা শুরু হয় সকাল ১০:৩০টায়, চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। সকাল ১০:৩০টা থেকে ১১:০০টা পর্যন্ত মেলা মহিলা ও শিশুদের জন্য সময় বরাদ্দ ছিল। এ সময় মহিলা ও শিশু তাদের পরিবারের একজন পুরুষ সদস্য নিয়ে মেলায় প্রবেশ করেন। আগামীকাল ২০শে ফেব্রুয়ারি শনিবার সকাল ১০টায় শিশু-কিশোর সংগীত প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। বিকেলে ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠানে 'ভাষা-সংগ্রামী হাসান হাফিজুর রহমান' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক রফিকউল্লাহ খান। আলোচনায় অংশ নেন কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী, কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা এবং কবি অসীম সাহা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সৈয়দ শামসুল হক। কবি অসীম সাহা বলেন, যাঁরা শিল্প-সাহিত্যের চর্চা করেন, যাঁরা ভাষা-সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করেন তাঁরাই ভাষা-সংগ্রামী। তিনি বলেন, হাসান হাফিজুর রহমান মানবজাতির মুক্তির জন্য কাজ করে গেছেন। সভাপতির ভাষণে সৈয়দ শামসুল হক বলেন, হাসান হাফিজুর রহমান ছিলেন অসামপ্রদায়িক মানসিকতার এক অসাধারণ মানুষ। কবিতার জগতে আমার যে উত্থান ও উদগম তাঁর অন্যতম সহযোগী হাসান হাফিজুর রহমান। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ রফিক রচিত 'কপিলা' কাব্যনাটক পরিবেশন করে আবৃত্তি সংগঠন 'ধ্বনি'। নৃত্য পরিবেশন করে লায়লা হাসান পরিচালিত নৃত্যসংগঠন 'নটরাজ' এবং আতিকুর রহমান উজ্জ্বলের পরিচালনায় নৃত্যসংগঠন 'ভোরের পাখি'। আজকের নতুন বই : ২০৬টি \\ এবারের গ্রন্থমেলায় সর্বমোট নতুন বই : ২২৭২টি ****** বিকেল ৩টা থেকে মেলা শুরু হয়। চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। আগামীকাল ১৯শে ফেব্রুয়ারি মহিলা ও শিশুদের জন্য সময় বরাদ্দ করা হয়েছে সকাল ১০:৩০টা থেকে বেলা ১:০০টা পর্যন্ত মহিলা ও শিশু তাদের পরিবারের একজন পুরুষ সদস্য নিয়ে মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন। আজ বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠানে 'একুশের কবিতা' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. বায়তুল্লাহ কাদেরী। আলোচনায় অংশ নেন কবি অরুনাভ সরকার, ড. মুহাম্মদ সামাদ, জনাব শামীম আজাদ এবং কবি নাসির আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি আসাদ চৌধুরী। জনাব শামীম আজাদ বলেন, একুশের কবিতা মানে সেই কবিতা যে কবিতায় নিজেকে চিহ্নিত করা যায়, জাতিকে চেনা যায়, যে কবিতার জন্য আমাদের চোখ, কান, হৃদয়ে আলাদা একটি চেতনার সৃষ্টি হয়, সংগ্রামে যোগায় অনুপ্রেরণা। ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, '৪৭-এ আমরা যে ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদের রাষ্ট্র পেয়েছিলাম '৭১-এ এসে তা ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে কবিরা কবিতা আর শিল্পীরা শিল্পকর্ম রচনা করেন মহান একুশের চেতনা থেকেই। ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, '৪৭-এ আমরা যে ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদের রাষ্ট্র পেয়েছিলাম '৭১-এ এসে তা ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে কবিরা কবিতা আর শিল্পীরা শিল্পকর্ম রচনা করেন মহান একুশের চেতনা থেকেই। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন শিল্পী কেয়া চৌধুরী, গোলাম সারোয়ার এবং আহ্কাম উল্লাহ্। মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটক মঞ্চস্থ করে 'রঙ্গরঙ্গ নাট্যদল'। আজকের নতুন বই : ১১৪টি ****** বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠানে 'একুশের প্রবন্ধ' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. স্বরোচিষ সরকার। আলোচনায় অংশ নেন জনাব মফিদুল হক, জনাব শাহিনুর রহমান, জনাব আহমাদ মাযহার এবং জনাব ফারজানা সিদ্দিকা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী । প্রাবন্ধিক ড. স্বরোচিষ সরকার বলেন, ভাষা-আন্দোলন থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত দেশের এবং বিদেশের পত্রপত্রিকায়, সংকলনে, স্মরণিকায় হাজার হাজার প্রবন্ধ রচিত হয়েছে। জনাব আহমাদ মাযহার বলেন, একুশের প্রবন্ধের ব্যাপ্তি ও বিস্তৃতি অনেক। বিগত পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশে যত প্রবন্ধ বেরিয়েছে সেগুলো ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। জনাব শাহিনুর রহমান বলেন, ভাষা-আন্দোলন এখনও থামেনি। কেননা বাংলা ভাষার দালালেরা এখনো সোচ্চার। তাদের হাত থেকে আমাদের ভাষাকে রক্ষা করার জন্য আমাদেরকে তৎপর হতে হবে। সভাপতির ভাষণে প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, একুশ ছিল ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, গণতন্ত্র, বাঙালি জাতীয়তবাদ ও সমাজতন্ত্রের আন্দোলন। এটা শ্রেণী-বৈষম্যহীন একটি পুঁজিবাদ বিরোধী আন্দোলনও বটে। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ভাওয়াইয়া ও ভাটিয়ালী সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী নাদিরা বেগম, মোস্তাফিজুর রহমান, সৈয়দ গোলাম আম্বিয়া, অনুপমা আচার্য, সালমা মোস্তাফিজ, হালিমা পারভীন, লুতু সরকার, মনির হোসেন, পল্লবী সরকার মালতী, বিশ্বনাথ মোহন্ত, মিনহাজউদ্দিন আজাদ প্রমুখ। যন্ত্রাণুসঙ্গে ছিলেন শিল্পী বাবু জামান, মোহাম্মদ সোলায়মান, গাজী আবদুল হাকিম, আলমাস আলী, আবদুস সোবাহান ও নাজমুল আলম খান। আজকের নতুন বই : ১০৭টি ******বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠানে 'ভাষা-আন্দোলন : দুষপ্রাপ্য দলিলের আলোকে' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক আবুল আহসান চৌধুরী। প্রাবন্ধিক অধ্যাপক আবুল আহসান চৌধুরী বলেন, ভাষা-আন্দোলনের কেন্দ্র রাজধানী ঢাকা থেকে এর প্রবল ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছিল সারা দেশেই। মফস্বলের শহরগুলোও এই আন্দোলনে চঞ্চল ও বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিল। জনাব তারেক রেজা বলেন, ভাষা-আন্দোলনের ইতিহাস আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। কারণ ঐ আন্দোলনের সাথে যাঁরা জড়িত ছিল তাঁদের মধ্যে অনেককেই আমরা হারিয়েছি। জনাব রহমান হাবিব বলেন, ভাষা হচ্ছে মানুষের অস্তিত্বের সমান। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আমাদের এই অস্তিত্বে আঘাত হেনেছিল। আমাদেরকে বলা হয়েছিল আরবি হরফে বাংলা চর্চা করতে।অধ্যাপক মাহবুবুল হক বলেন, ভাষা-আন্দোলনকে সঠিকভাবে জানতে এই সংক্রান্ত যাবতীয় দলিল-দস্তাবেজ, আঞ্চলিক ইতিহাসসহ সকল তথ্যের সনি্নবেশ করতে হবে। সভাপতির ভাষণে অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল কাইউম বলেন, ভাষা হলো একটি জাতির শক্তি ও প্রাণ। কোনো জাতিকে দুর্বল করতে চাইলে ভাষার ওপর আঘাত হানতে হয়। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কাব্যনাটক 'কথামানবী' পরিবেশন করে সাংস্কৃকিত সংগঠন 'যুক্ত' এবং নৃত্য পরিবেশন করে 'সুকন্যা নৃত্যাঙ্গন'। আজকের নতুন বই : ৯২টি****** বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠানে 'ভাষা-সংগ্রামী শহীদ আলতাফ মাহমুদ' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক করুণাময় গোস্বামী। প্রাবন্ধিক অধ্যাপক করুণাময় গোস্বামী বলেন, '৫২-র একুশে ফেব্রুয়ারির আত্মবিসর্জনের ঘটনার প্রেরণা সংস্কৃতিকে রাজনীতির সঙ্গে এবং রাজনীতিকে সংস্কৃতির সঙ্গে এমনভাবে যুক্ত করে দেয় যে, রাজনৈতিক প্রেরণা একটি গভীর সৃজনশীল বিষয় হয়ে ওঠে। জনাব শিমুল ইউসুফ বলেন, বাংলাদেশের গণসংগীতে যাঁরা অসামান্য অবদান রেখেছেন তাঁদের মধ্যে আলতাফ মাহমুদ অন্যতম। 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী', 'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে' গানসহ অনেক গানের সুরকার আলতাফ মাহমুদের জন্ম হয়েছিল ভাষা-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এবং তাঁর সমাপ্তি স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতীয় বীরের বেশে।সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ব্রতচারী সংগীত পরিবেশন করে 'ব্রতচারী সমিতি' ও 'ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী'। যন্ত্রাণুসঙ্গে ছিলেন শিল্পী জয়সিংহ রায়, সুনীল কুমার সরকার ও শেখ আবু জাফর। আজকের নতুন বই : ১০৪টি ******বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠানে 'ভাষা-সংগ্রামী প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনাব হোসনে আরা শাহেদ। আলোচনায় অংশ নেন কবি, গবেষক ফজলুল হক সরকার এবং ফোকলোরবিদ, গবেষক, অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দীন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। প্রাবন্ধিক হোসনে আরা শাহেদ বলেন, ভাষা-আন্দোলনের স্থপতি অধ্যক্ষ আবুল কাশেম। বাংলাদেশের সর্বস্তরে বাংলা ভাষাকে অধিষ্ঠিত করা ছিল তাঁর জীবনের সাধ ও স্বপ্ন।অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দীন চৌধুরী বলেন, গ্রহণ এবং বর্জনের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের পরিকাঠামো তৈরি হয়। ইতিহাসকে হতে হয় নির্মোহ, বস্তনিষ্ঠ, তথ্যনিষ্ঠ। আলোচক ফজলুল হক সরকার বলেন, প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম ছিলেন একজন অসাধারণ সৈনিক এবং চেতনাসমৃদ্ধ মানুষ। মাতৃভাষার প্রতি তাঁর ছিল প্রগাঢ় ভালোবাসা। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী কেয়া চৌধুরী, আহ্কাম উল্লাহ, এস. এম. মাহিদুল ইসলাম, শাহাদাৎ হোসেন নিপু, ফরহাদ খান চৌধুরী, সায়েরা হাবীব প্রমুখ। সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী খুরশিদ আলম, মহিউজ্জামান চৌধুরী, রাশেদ উদ্দিন তপু, চন্দন চৌধুরী, মহিদুজ্জামান শামীম, আল বেরুণী অনু, শিখা রউফ, অশ্রু বড়ুয়া, নাসিমা শাহীন ফেন্সী এবং ইমরান। আজকের নতুন বই : ৯৪টি ******বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠানে 'ভাষা-সংগ্রামী প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনাব হোসনে আরা শাহেদ। আলোচনায় অংশ নেন কবি, গবেষক ফজলুল হক সরকার এবং ফোকলোরবিদ, গবেষক, অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দীন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। প্রাবন্ধিক হোসনে আরা শাহেদ বলেন, ভাষা-আন্দোলনের স্থপতি অধ্যক্ষ আবুল কাশেম। বাংলাদেশের সর্বস্তরে বাংলা ভাষাকে অধিষ্ঠিত করা ছিল তাঁর জীবনের সাধ ও স্বপ্ন।অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দীন চৌধুরী বলেন, গ্রহণ এবং বর্জনের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের পরিকাঠামো তৈরি হয়। ইতিহাসকে হতে হয় নির্মোহ, বস্তনিষ্ঠ, তথ্যনিষ্ঠ। আলোচক ফজলুল হক সরকার বলেন, প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম ছিলেন একজন অসাধারণ সৈনিক এবং চেতনাসমৃদ্ধ মানুষ। মাতৃভাষার প্রতি তাঁর ছিল প্রগাঢ় ভালোবাসা। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী কেয়া চৌধুরী, আহ্কাম উল্লাহ, এস. এম. মাহিদুল ইসলাম, শাহাদাৎ হোসেন নিপু, ফরহাদ খান চৌধুরী, সায়েরা হাবীব প্রমুখ। সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী খুরশিদ আলম, মহিউজ্জামান চৌধুরী, রাশেদ উদ্দিন তপু, চন্দন চৌধুরী, মহিদুজ্জামান শামীম, আল বেরুণী অনু, শিখা রউফ, অশ্রু বড়ুয়া, নাসিমা শাহীন ফেন্সী এবং ইমরান। আজকের নতুন বই : ৯৪টি ******আজ পহেলা ফাল্গুন/১৩ই ফেব্রুয়ারি শনিবার বাংলা একাডেমী আয়োজিত মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার ত্রয়োদশ দিন। সারাদিনই মেলাতে ছিল উচ্ছল মানুষের আনাগোণা। বিকেলে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে ঐতিহাসিক ভাষা-আন্দোলনে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভাষা-সৈনিক আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং ভাষা-সৈনিক প্রফেসর সরদার ফজলুল করিমকে বাংলা একাডেমীর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।স্বাগত ভাষণে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বলেন, বাংলাদেশের এক অসাধারণ পণ্ডিত সরদার ফজলুল করিম বাংলার জনগণের পক্ষে সারাজীবন কাজ করেছেন। অনুভূতি ব্যক্ত করে সরদার ফজলুল করিম বলেন, আমাকে এই সংবর্ধনা দিয়ে লক্ষ-কোটি মানুষের কাছে পরিচিতি করে দেওয়ার জন্য বাংলা একাডেমীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সভাপতির ভাষণে অধ্যাপক কবীর চৌধুরী বলেন, দার্শনিক কথা যদি সহজ-সরলভাবে জনগণের কাছে তুলে ধরা যায় তবে জীবন হয়ে ওঠে অনেক সুন্দর সাবলীল। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করে 'আবৃত্তি একাডেমী'। নৃত্য পরিবেশন করে 'ঘুংঘুর সাংস্কৃতিক একাডেমী'। সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী খায়রুল আনাম শাকিল, রোকাইয়া হাসিনা, মিতা মোস্তফা, মেজবাহুল আজম মঞ্জু, মাহবুবা রহমান, মেহেদী হাসান এবং মোঃ রাশেদ। আজকের নতুন বই : ১২৭টি ******আজ ৩০শে মাঘ/১২ই ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বাংলা একাডেমী আয়োজিত মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার দ্বাদশ দিন। সকালে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে শিশু-কিশোর আবৃত্তি প্রতিযোগিতার প্রাথমিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় ক শাখায় ১২৫জন, খ শাখায় ১০০জন এবং গ শাখায় ৪৩জনসহ মোট ২৬৮জন প্রতিযোগী অংশ নেয়। বিকেলে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠানে 'ভাষা-সংগ্রামী মাহবুবুল আলম চৌধুরী' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনাব আবুল মোমেন। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করে চট্টগ্রামের শুদ্ধ সংগীতচর্চা সংগঠন 'রক্তকরবী' এবং লোকসংগীত পরিবেশন করে সাংস্কৃতিক সংগঠন 'আরোহী শিল্পী গোষ্ঠী'। আজকের নতুন বই : ২১৪টি *********আজ ২৯শে মাঘ/১১ই ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমী আয়োজিত মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার একাদশ দিন।***সংগ্রামী গাজীউল হক' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনাব আমিনুর রহমান সুলতান। ***সভাপতির ভাষণে ব্যারিস্টার এম. আমীর-উল-ইসলাম বলেন, গাজীউল হক চেয়েছিলেন ধর্মকে রাজনীতির উধের্্ব রেখে শোষণমুক্ত দেশ গড়ার, যেখানে থাকবে আইনের শাসন ও মানবাধিকার। ***সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করে আবৃত্তি সংগঠন 'আনন্দন' ও সাংস্কৃতিক সংগঠন 'শাপলা কলির আসর'। *********আজ ২৮শে মাঘ/১০ই ফেব্রুয়ারি বুধবার বাংলা একাডেমী আয়োজিত মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার দশম দিন। ,বিকেলে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে ঐতিহাসিক ভাষা-আন্দোলনে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভাষা-সৈনিক আবদুল মতিন এবং ভাষা-সৈনিক ড. সৈয়দ ইউসুফ হাসানকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। ,স্বাগত ভাষণে শামসুজ্জামান খান বলেন, কোনো ভাষাই ছোট কিংবা বড়ো নয়, সকল মাতৃভাষাই সমান। ,কবি আসাদ চৌধুরী বলেন, বাংলা ভাষা যতদিন থাকবে ততদিন এই দুই মহান ব্যক্তি আমাদের কাছে চির অম্লান হয়ে থাকবেন। ,ভাষা-সৈনিক আবদুল মতিন বলেন, ভাষা একটি জাতির অসীম শক্তি। ,সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে লোকসংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী কিরণ চন্দ্র রায়, কাননবালা সরকার, জহির আলীম, আমজাদ দেওয়ান, রহিমা খাতুন, ফকির শাহাবুদ্দিন, অনিমা মুক্তি গোমেজ এবং লাকী সরকার।******আজ ২৮শে মাঘ/১০ই ফেব্রুয়ারি বুধবার বাংলা একাডেমী আয়োজিত মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার দশম দিন। ,বিকেলে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে ঐতিহাসিক ভাষা-আন্দোলনে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভাষা-সৈনিক আবদুল মতিন এবং ভাষা-সৈনিক ড. সৈয়দ ইউসুফ হাসানকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। ,স্বাগত ভাষণে শামসুজ্জামান খান বলেন, কোনো ভাষাই ছোট কিংবা বড়ো নয়, সকল মাতৃভাষাই সমান। ,কবি আসাদ চৌধুরী বলেন, বাংলা ভাষা যতদিন থাকবে ততদিন এই দুই মহান ব্যক্তি আমাদের কাছে চির অম্লান হয়ে থাকবেন। ,ভাষা-সৈনিক আবদুল মতিন বলেন, ভাষা একটি জাতির অসীম শক্তি। ,সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে লোকসংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী কিরণ চন্দ্র রায়, কাননবালা সরকার, জহির আলীম, আমজাদ দেওয়ান, রহিমা খাতুন, ফকির শাহাবুদ্দিন, অনিমা মুক্তি গোমেজ এবং লাকী সরকার।******আজ ২৭শে মাঘ/৯ই ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বাংলা একাডেমী আয়োজিত মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার নবম দিন।,প্রাবন্ধিক জনাব শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের মধ্যে শফিউর রহমান একজন অনন্য সাধারণ ব্যক্তি।,ড. জিনাত হুদা অহিদ বলেন, ভাষা-আন্দোলনে যাঁরা শহীদ হয়েছেন তাঁদের মধ্যে মুষ্টিমেয় কয়েকজনের নাম আমরা উচ্চারণ করে থাকি।,ভাষা-সৈনিক রওশন আরা বাচ্চু বলেন, সালাম-রফিক-বরকত-জব্বার-শফিউরেরা যদি বায়ান্নর ভাষা-আন্দোলনে প্রাণ বিসর্জন না দিতো তাহলে আমাদের ভৌগোলিক মানচিত্র কেমন হতো এটা ভাবার বিষয়।,সভাপতির ভাষণে বিচারপতি কাজী এবাদুল হক বলেন, মাতৃভাষা একটি জাতির অহংকার।,সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মানিক বন্দ্যেপাধ্যায়ের ছোটগল্প অবলম্বনে নাটক 'প্রাগৈতিহাসিক' মঞ্চস্থ করে 'নাগরিক নাট্যাঙ্গন'। ******আজ ২৭শে মাঘ/৯ই ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বাংলা একাডেমী আয়োজিত মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার নবম দিন।,প্রাবন্ধিক জনাব শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের মধ্যে শফিউর রহমান একজন অনন্য সাধারণ ব্যক্তি।,ড. জিনাত হুদা অহিদ বলেন, ভাষা-আন্দোলনে যাঁরা শহীদ হয়েছেন তাঁদের মধ্যে মুষ্টিমেয় কয়েকজনের নাম আমরা উচ্চারণ করে থাকি।,ভাষা-সৈনিক রওশন আরা বাচ্চু বলেন, সালাম-রফিক-বরকত-জব্বার-শফিউরেরা যদি বায়ান্নর ভাষা-আন্দোলনে প্রাণ বিসর্জন না দিতো তাহলে আমাদের ভৌগোলিক মানচিত্র কেমন হতো এটা ভাবার বিষয়।,সভাপতির ভাষণে বিচারপতি কাজী এবাদুল হক বলেন, মাতৃভাষা একটি জাতির অহংকার।,সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মানিক বন্দ্যেপাধ্যায়ের ছোটগল্প অবলম্বনে নাটক 'প্রাগৈতিহাসিক' মঞ্চস্থ করে 'নাগরিক নাট্যাঙ্গন'। ******আজ ২৭শে মাঘ/৯ই ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বাংলা একাডেমী আয়োজিত মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার নবম দিন।,প্রাবন্ধিক জনাব শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের মধ্যে শফিউর রহমান একজন অনন্য সাধারণ ব্যক্তি।,ড. জিনাত হুদা অহিদ বলেন, ভাষা-আন্দোলনে যাঁরা শহীদ হয়েছেন তাঁদের মধ্যে মুষ্টিমেয় কয়েকজনের নাম আমরা উচ্চারণ করে থাকি।,ভাষা-সৈনিক রওশন আরা বাচ্চু বলেন, সালাম-রফিক-বরকত-জব্বার-শফিউরেরা যদি বায়ান্নর ভাষা-আন্দোলনে প্রাণ বিসর্জন না দিতো তাহলে আমাদের ভৌগোলিক মানচিত্র কেমন হতো এটা ভাবার বিষয়।,সভাপতির ভাষণে বিচারপতি কাজী এবাদুল হক বলেন, মাতৃভাষা একটি জাতির অহংকার।,সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মানিক বন্দ্যেপাধ্যায়ের ছোটগল্প অবলম্বনে নাটক 'প্রাগৈতিহাসিক' মঞ্চস্থ করে 'নাগরিক নাট্যাঙ্গন'। ******welcome to www.ekusherboi.com, please wait for tomorrow's Mela News.******অমর একুশে গ্রন্থমেলার চতুর্থ দিন******অপচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের দায় অবশ্যই আমাদের সবার******জাতীয় সব বড় বড় আন্দোলনে ছাত্রসমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে******এ আন্দোলন সর্বস্তরের জনসাধারণের আন্দোলন******বাংলা ভাষার ইতিহাস একটি বিরাট ক্যানভাস******আমাদের ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব নতুন প্রজন্মের******সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গণসংগীত পরিবেশন******আগামীকালের অনুষ্ঠানসূচি******
♦
Search Your Books
Tadanta Kyarikechar
Pagla Hawa
Bitorker Antorale
Bangladesh
Kalo Megh Kalo Chaya
Alokito Manush
Athoi Shona Chader Kona
Biporit Boshonto
Alor Dishari
Kobitar dala
Tumi Ashbe Bole
Faiz Ahmed Rochonaboly